fbpx

Honda Life

CB Hornet Special Edition

CB Hornet 160R CBS Special Edition Short Review!!

CB Hornet বাংলাদেশে আসে ২০১৮ এর দিকে। এর পর থেকে এই বাইকটা বাংলাদেশে ভালোই একটা আলোড়ন তৈরি করে। এর পর ২০১৯ এ  সিবিএস ডাবল ডিক্স এডিশন টা আসে। যেটার কন্ট্রোলিং ছিল আগেরটার চাইতেও অসাধারণ। যাই হোক সব শেষে Latest Version হিসেবে Special Edition-এ ABS ও CBS এডিশন আবারো আসে নতুন কিছু ফিচার নিয়ে। ABS Edition টির মূল্য অনেকটা বেশী হওয়ায় ABS লাভারগণ হতাশ এবং অনেকে CBS এডিশনটি কিনে ফেলেছেন।

বর্তমান বাজারে CB HORNET CBS Price: 189,900/-

Cb Hornet Cbs Specification দেখতে ক্লিক করুন।

আমি নিজেও সেইম কাজটা করেছি।

এইবার আসি আমার ২০০ কিমি রাইডের অভিজ্ঞতা নিয়ে। একটা বাইক নিয়ে মিনিমাম ১০০০ কিমি না রাইড করে রিভিউ দেওয়া ঠিক না, তারপর লিখছি কারণ অনেকে ভাই ব্রাদার বাইকটা নেওয়ার কথা ভাবছেন, অনেকে Honda Brand এর আরেকটা জোস বাইক Honda X-Blade আর  CB Hornet 160R নিয়ে কনফিউশনে আছেন। যাই হোক আমার এই লিখায় এই ২ জনের মধ্যে কমপেরিজণ করবো না। আমি আমার CB Hornet 160R CBS Special Edition এর ২০০ কি.মি. রাইডের Mini Review টাই শেয়ার করব।

আমি CB Hornet 160R CBS Special Edition টা হোন্ডা লাইফ বারিধারা থেকে কিনি ২০ ফেব্রুয়ারী ।  এর মধ্যে ২০০ কি.মি. রাইড করা শেস।

CB Hornet 160R LOOK:

বাইকের লুক নিয়ে কিছু বলার নাই। ২ বছর ধরে এই সেইম লুকেই কাপাচ্ছে। এখণ ণতুন জোগ হয়েছে জোস এক LED HEAD LAMP, নতুন কালার ও ডীজাইনের মিটার প্যানেল, ইমারজেন্সী লাইট এইতো।

Cb Hornet 160R CBS ENGINE:

ইঞ্জিন খুব সামান্য রিফাইন্ড হয়েছে বলে মনে হয়। সিওর না ভাই। Honda এর ইঞ্জিন নিয়ে প্যারা খাওয়ার কিছু নাই। গিয়ার শিটীং হার্ড As Usual.

Cb Hornet COMFORT:

কম্ফোর্টের কথা বলতে গেলে কিনেই গার্ড সহ সিট কাভার লাগিয়ে নেবেন জাদের ওয়েট একটূ বেশী। নাইলে বাচ্চা আর হবে না বস। কারণ পিলিওন নিয়ে ব্রেক করলেই টাংকির সাথে ভালোই ধাক্কা লাগে, টাংকিটা নিচের দিকটা বেশী খাড়া হওয়ায় প্রেশারটা বেশী পড়ে। সিংগেল রাইডীং এর ক্ষেত্রে এই প্রবলেমে পড়বেন না। এছাড়া কমফোর্টে ১০ এ ১০।

Cb Hornet BREAKING:

আমরা সবাই জানি যে এটার ডীস্ক প্লেট FZS থেকে ৩ মি.মি. বেশী। হিসেবে ব্রেকিং FZS এর  মতো হওয়ার কথা। কিন্তু Cb Hornet এর চাকাটা কার্ভড হওয়ার কারনে ব্রেকিং এ রাস্তার সাথে ঘর্ষণ কম হয়। তাই ১০০ ১০০ FZS এর মতো ব্রেকিং না হলে এটাতে Combo Breaking System(CBS) থাকার কারনে ৯৯ নিসন্দেহে পাওয়ার দাবী রাখে।  

Cb Hornet CONTROL :

বাইক ব্রেকিইন পিরিয়ডে থাকায় আস্তে ধীরে চালাচ্ছি। কন্ট্রোলিং ৮০/৯০/১০০ স্পিডে বোঝা যাবে। তার আগে না। কিন্তু বাইকটার কার্ভড চাকার কারণে খুবই সুন্দর ভাবে বাইকটাকে মুভমেন্ট করানো যায়।বাইকটীকে নিয়ে খুবই কনফিডন্টলি কর্নারিং করতে পারছি। ব্যাপারটা আমার কাছে জোস লাগতেসে।

LED HEAD LAMP :

হেডলাইট মোটামুটি ভালোই আলো দিচ্ছে। চেঞ্জ করতে গেলে গরীব হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। আমার লাইটের UPPER এ কেনার সময়ই নস্ট ছিল। পরের দিন হোন্ডা লাইফে গিয়ে জানালে সাথে সাথে চেঞ্জ করে দেয়। ণতুন মডেলের এই বাইক গুলোর আলো কেন যেন উপরের দিকে পরে, কিনেই তা এডজাস্ট করে নিয়েছি।

এই পর্যন্ত ভালোই লেগেছে সব মিলিয়ে। Honda মামারা Engine Kill Switch আর হেডলাইটের সুইচ না দিয়ে কাজ টা খুবই খারাপ করেছে। অনেকে এই মডেলে হেডলাইট অন-অফ সুইচ লাগাতে গিয়ে লাইট কেটে গেছে, এর মূল্য হিসেবে ১০০০০-১২০০০ টাকাও গুনতে হচ্ছে নতুন LED ইন্সটল করতে। তাই যারাই কেনার প্ল্যান করছেন মাথায় দেখে দিবেন “ভাই লাইট জ্বলে”। রিস্ক নিয়ে এই সুইচ লাগানর মানে হয় না।

সর্বশেষ, দেখা যাক কেমন সার্ভিস দেয়। খারাপ হবে বলে মনে হয় না। দোয়া রাখবেন।

ধন্যবাদ হোন্ডা প্রাইভেট লিমিটেডকে রিজনেবল প্রাইসে Cb Hornet CBS Edition- এর বাইকটি কাস্টমারদের মাঝে এনে দেওয়ার জন্য। কথাগুলো আমার নিজের একান্ত মতামত, ভুল হলে ক্ষমা সুন্দর চোখে দেখবেন আশা করি।

Written By: Anas Ansary

Share On Facebook :

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *